ইউক্রেনকে পরমাণু অস্ত্র ফেরানোর সম্ভাবনা নাকচ করল যুক্তরাষ্ট্র
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর উত্তরাধিকার সূত্রে পারমাণবিক অস্ত্র পেয়েছিল ইউক্রেন। তবে ১৯৯৪ সালে বুদাপেস্ট মেমোরেন্ডাম চুক্তির আওতায় রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা আশ্বাসের বিনিময়ে এসব অস্ত্র হস্তান্তর করে কিয়েভ।
সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তার মেয়াদের শেষ দিকে ইউক্রেনকে পারমাণবিক অস্ত্র সরবরাহ করতে পারেন। এই খবর নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হলেও হোয়াইট হাউস সরাসরি এ তথ্যকে অস্বীকার করেছে।
রোববার (১ ডিসেম্বর) এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান সাফ জানিয়ে বলেন, “আমরা এমন কোনো পরিকল্পনা বিবেচনা করছি না।” তিনি আরও বলেন, “আমরা ইউক্রেনকে প্রচুর প্রচলিত অস্ত্র সরবরাহ করছি, যাতে তারা নিজেদের কার্যকরভাবে রক্ষা করতে পারে এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে পারে। তবে তাদের পারমাণবিক সক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে না।”
১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ইউক্রেন তার ভূখণ্ডে থাকা পারমাণবিক অস্ত্র উত্তরাধিকারসূত্রে পায়। তবে তিন বছর পর বুদাপেস্ট মেমোরেন্ডাম চুক্তির মাধ্যমে এসব অস্ত্র হস্তান্তর করা হয়। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং রাশিয়া ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
আরও পড়ুন:আগরতলায় বাংলাদেশের হাইকমিশনে হামলার প্রতিবাদে যা বললেন আসিফ নজরুল
সুলিভানের বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে, তবে তা শুধুমাত্র প্রচলিত অস্ত্রের মাধ্যমে। তার ভাষায়, “আমাদের লক্ষ্য ইউক্রেনকে শক্তিশালী করা, যেন তারা নিজেদের প্রতিরক্ষায় কার্যকর হতে পারে এবং যুদ্ধে রাশিয়াকে পরাজিত করতে পারে।”
এমন পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের পারমাণবিক অস্ত্র পাওয়ার সম্ভাবনা সরাসরি নাকচ হওয়ায় বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থান ইউক্রেন সংকট নিয়ে বৈশ্বিক আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
আরো নিউজ পেতে আপনি ভিজিট করুন আমাদের টাইম অব বাংলাদেশ ওয়েবসাইট
জাতীয় থেকে আরও পড়ুন
