ঢাকাশনিবার , ১৫ মার্চ ২০২৫
  1. অপরাধ
  2. অর্থনৈতিক
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. জাতীয়
  9. জেলা/উপজেলা
  10. জোকস
  11. তথ্য প্রযুক্তি
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. নির্বাচনের মাঠ
  15. নির্যাতন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বর্ষা চৌধুরী-আকাশ নিবিরের বিয়ে বিচ্ছেদের মূল গল্প জানা গেল!

টাইমস অব বাংলাদেশ
মার্চ ১৫, ২০২৫ ৫:৪০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আকাশ নিবির:

বর্ষা চৌধুরীকে আমি ২০১৭-১৮ সাল থেকে একজন শিল্পী হিসেবেই চিনি এবং জানি। তার এবং শিল্পী কাজী শুভ’র একটি গানের মিউজিক ভিডিও করি। যদিও শুটিং এ তাদেরকে বাদ দিয়ে শুধু মডেলদের নিয়ে শুট করি। এরপর দীর্ঘদিন যোগাযোগ না থাকলেও ডিএ তায়েবের বাসায় তাকে দেখি। এর মধ্যে হাই হ্যালো ছাড়া জীবনে তেমন কিছু ছিলো না আমাদের মাঝে৷

রাসেল মিয়ার বিয়ের পর তাকে একজন বন্ধু হিসেবে সাপোর্ট দিতে তার পাশে গিয়ে দাঁড়াই। মরে যাওয়া থেকে বাঁচিয়ে তুলি। যার খেসারত আজ দিতে হচ্ছে আমাকে।

আমাদের মধ্যে সম্পর্ক গভীর হতে শুরু করে হাসপাতাল থেকেই। পরে জানতে পারি রাসেল মিয়া তাকে মারধর করেছে। সেটির জন্য থানায় মামলার কথা জানতে পারি। পরে আমি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেই এবং সাংবাদিক এবং ইউটিউবারদের নিয়ে তার বাসায় যাই এবং তার সাক্ষাৎকার নেয়া হয়।

জানতে পারি সবুজবাগ থানায় রাসেল মিয়া আত্মসমর্পণ করেন। পড়ে থানায় গিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জেলে পাঠানোর চেষ্টা করি। পরে জানতে পারি রাসেল মিয়াকে জেলে পাঠাতে হলে তাদের কাবিন আর্জেন্টভাবে প্রয়োজন। বাইকযোগে বনশ্রী গিয়ে কাজীর থেকে কাবিনের নকল তুলে থানায় জমা দেই। এরপর রাসেল মিয়ার নামে কোর্টে একাধিক মামলার পরিকল্পনায় যোগ দেই। এবং সেইদিন সোশ্যালমিডিয়ায় ভাইরাল তনির সঙ্গে সেগুনবাগিচায় একটি অ্যাডভোকেট এর চেম্বারে দেখা করি। তাতে করে অনলাইন খবর সংযোগে আমার ৩৫ হাজার টাকা বেতনের চাকরী হারাতে হয়। তিনমাস বেকার থাকতে হয় এবং হাতিরঝিলে আওয়ামীলীগে নামে মিথ্যা মামলা খেতে হয়!

রাসেল মিয়া যেন মামলা জামিন না পায় সে জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়ে বসেন সেই তনির পরিচিত অ্যাডভোকেট। পরে ১০ হাজার টাকার মধ্যে মামলা করার করার জন্য আদালত পাড়ায় শান্তা নামের এক মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করি। যে শান্ত বর্ষাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল বলে খুঁজে নেন। সেখানে গিয়ে রাসেল মিয়ার বিরুদ্ধে প্রতারণা, নারী নির্যাতন, কাবিনসহ ৫টি মামলা দায়ের করেন। যাহার সব কিছুর রাজ স্বাক্ষী ছিলাম আমি।

এবং তার যতো অ্যাডভোকেট সব কিছুর কারিশমা আমি জানি। যারা কিনা জামিন ক্যানসেল করতে টাকা পয়সা দিয়ে হেনেস্তা করে থাকেন!

কিন্তু মাঝখানে হেলানা জাহাঙ্গীর বর্ষার বাসায় আসলে বিষয়টি ভাইরালের জন্য বর্ষা চৌধুরীর কথায় সেখানে যোগদান করি এবং হেলেনা জাহাঙ্গীরকে তুলোধুনো করার প্লানিং তৈরী করে বর্ষা চৌধুরী।

কিন্তু তাতেও শান্তি না পেয়ে একাধিকবার অসুস্থার নাটক থেকে বাঁচাতে এদিক সেদিক তার মাইন্ড কর্নভার্ট করতে প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর চেষ্টা করি আমি নিজে। তাতে পড়তে হয় নানান বাধা বিপত্তিতে!

এছাড়াও ততোদিনে তার গাড়ী নষ্ট আর ড্রাইভার না থাকায় নিয়মিত বাইক সার্ভিস দিতে থাকি তার মায়ায় পড়ে নিজের ব্যাংক থেকে নানানভাবে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা খরচ করে ফেলি।

কিন্তু রাসেল মিয়া আর হেলেনা জাহাঙ্গীরের নাম এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের ছবি এবং ভিডিও দেখলে জ্ঞান হারানোর বিষয়গুলো মায়ায় পরিণত হয়। এ হাসপাতাল আর ও হাসপাতালে নিয়ে যেতে ততোদিনে আমাদের মধ্যে একধরণের প্রেমের সম্পর্ক জড়িয়ে পড়ি। বাবার কাছে নিয়ে এসে কোরআন শরীফের আয়াত দিয়ে তাকে সুস্থ করে তুলি।

এমনকি তাকে হাসপাতালে দিনের পর দিন সেবা দিতে থাকি এবং নিজের বাসা থেকে মায়ের হাতের রান্না করা খাবার তাকে মুখে তুলে খাওয়াতে থাকি। তখন বর্ষা নিজের আমার প্রেমের মায়ায় আটকা পড়ে যান। এবং আমাকে ফোনে তিনি বিয়ের প্রস্তাব দেন এবং আমি রাসেল মিয়াকে ডিভোর্স দিবার বিষয়টি তুলে ধরি। এবং বর্ষা চৌধুরী আমি এবং আমার ছোট বোন অ্যাডভোকেট শামিমুল ইসলাম শামীমের চেম্বারে গিয়ে রাসেল মিয়াকে ডিভোর্স দেয়াই।

পরে আমি এবং বর্ষা চৌধুরী কোর্টে গিয়ে কোট এভিডেভিড করে অ্যাভোকেট সজীব ভূঁইয়ার আইনজীবী ভবন -২ এ লিফটের ৫ এ গিয়ে কোর্ট এভিডেভিড এবং একটি নামমাত্র কাজী ডেকে মোনাজাতের মাধ্যমে বিবাহ সম্পূর্ণ করি। সেদিন কাজী এবং সেই অ্যাডভোকেটের সঙ্গে বিয়ে শেষে ফটোসেশান করি।

এমনকি ২৯ অক্টোবর ২০২৪ ইং তারিখে বিকালে বিয়ে এভিডেভিড এর ৩০০ টাকা স্ট্যাম্পে সিগনেচারের সময় একটি ছবি তুলে আমার ছোট বোনকে প্রদান করলে ছোট বোন আমাদের বিয়েট সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করেন যাহার সকল প্রমাণিত ছবি রয়েছে। শুধু তাই নয় বিয়ের আগ মূহুর্তে সাদা পাঞ্জাবি আর হাতে ঘরিসহ একাধিক ছবি তার মোবাইল থেকে বর্ষা আমাকে সেন্ড করেন এবং তা আমি নিজের ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করি।

এরপর সেদিন ইনকিলাব পত্রিকা অফিসের সামনে দিয়ে মতিঝিল একটি পেট্রোল পাম্পে তৈল নেই। এবং শেষে বাসায় আসি। বাসায় এসে দেখি আমার ছোট বোন, বড় ভাই সমতুল্য আল আমিন ও ভাগ্নি সঙ্গীতা বাসর সাজাচ্ছেন। দেখি বেস সারপ্রাইজ হই।

বাসায় এসে সবাইকে পোশাক পড়ার তাগিদ দেন এবং নিজেও আমার দেয়া কেন বেনারশি লাল একটি শাড়ী পড়েন। সেদিন রাস্তায় জ্যাম থাকার কারণে বর্ষা ক্লান্ত হয়ে আমার ছোট বোনের রুমি শুয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। আমি তৎক্ষনাৎ তার একটি ছবি চুরি করে তুলে রাখি। যাহার ডেট এবং সময় ২৯ অক্টোবর ২০২৪ ইং আনুমানিক রাত ৯-১০টা নাগাদ হতে পারে।

বিয়ের বাসর সাজানোর পরে গেট ধরেন ভাগ্নি সঙ্গীতা, আল আমিন ও ছোট বোন সানু। প্রথমে সঙ্গীতাকে ৫০০ টাকা দিলে মন খারাপ করলে বর্ষা তার নিজের বিকাশ নাম্বার থেকে ১১:৪৮ মিনিটের দিকে আরও ১০০০ টাকা সেন্ড মানি করতে দেখা যায়।

এরপর আমার ছোট বোনের রুমে আমার বাবা-মা-ছোট বোন-ভাগ্নিসহ ৬০-৬৫ টা ছবি তুলি। বিষয়টি আমরা আগামী ২ বছর গোপন রাখার প্রতিশ্রুতি দিলে বর্ষার ফোন থেকে তুলি। যেখান থেকে আলাদাভাবে ৬-৭ ছবি আমার ছোট বোনের হোয়াটসঅ্যাপে দেন। যাহার সিরিয়াল মিলালে বাকী ছবি পাওয়া যাবে।

এরপর আমরা বাসায় একসঙ্গে খাওয়া দাওয়া করি এবং নানান রকম আড্ডা শেষে আমার রুমে বাসর সেরে নেই।

বর্ষা চৌধুরী আমার বাসায় আসা যাওয়া চলতে থাকে। এরমধ্যে ফ্যাসিস সরকারের পতনের পর আর রামপুরার ৩০২ ধারায় হাতিরঝিলে একটি মামলা দায়ের হয়। সেই মামলার ভয়ে দুবার আর চট্টগ্রামে পালিয়ে যাবার কথা বলে দীর্ঘদিন আমার বাসায় পালিয়ে থাকেন।

একদিন সকালে হঠাৎ করেই আমার বাসায় এসে হাজির হন এবং জানায় যাত্রাবাড়ী থানায় জ্যাকি হত্যার বিষয়টি। পরে জানা যায় তার নামে রামপুরা হত্যা মামলায় ৩০২ ধারায় হাতিরঝিলে মামলার কথা।

এরপর দীর্ঘ ২ মাস আমার টানা সংসার করতে থাকে। এরপর হঠাৎ করে নায়িকা অপু বিশ্বাসের মাধ্যমে নায়িকা পূজা ও পরীমনির সঙ্গে যোগাযোগ হতে থাকে।

তাৎক্ষণিক রাসেল মিয়া এফডিসিতে নায়িকা অঞ্জনা মারা যাবার দিন আমার সঙ্গে ঝগড়াঝাটি হলে নবাগত নায়ক মকবুল ওরফে মুন্না খানের সঙ্গে নতুন সম্পর্কে লিপ্ত হতে থাকেন।

মাঝপথে লবিং করতে থাকে সঙ্গীত শিল্পী মাহমুদ সানীর সঙ্গে। এরআগে পুলিশের সার্জেন্ট ডিএ তায়েবের একটি অশ্লীল ভিডিও ব্লাকমেইল করে নানা প্রভাকান্ডে জড়িয়ে পড়েন এবং রাসেল মিয়াকে সায়েস্তা করতে ডিএ তায়েবের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ করতে থাকেন। যা আমার পছন্দ ছিলো না। তারই মধ্যে হিজাব ছেড়ে মুন্না খানের সঙ্গে একটি ফটোসেশানের কথা বলে সিলেট যান এবং তার নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং গাড়ীতে করে মাওয়া যাওয়া আসাসহ মুখের খাবার একে অপরকে খাওয়ালে আমাদের সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়।

বিষয়টি তাকে অবগত করলে জানুয়ারির ১৬ তারিখ আমার সঙ্গে দেখা করেন এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি হয়ে শাহবাগ হয়ে বাসায় এসে রাত যাপন করেন।

পরে ১৮ তারিখ তার বাসায় গেলে আমাকে ছেড়ে দিবার হুমকিসহ আমাকে মামলা হামলা ঝামেলা এবং মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করেন।

এরপর ২২ তারিখ আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় ইনবক্সে অকথ্য ভাষায় গালী দিলে আমি আমাদের বিয়ের কথা জানিয়ে দেই৷ পরে বিয়ের বিষয় স্বীকার করলেও শেষ পর্যন্ত নিজের জিদ এ জিততে আমার বিরুদ্ধে নানান রকমের প্রভাকান্ড ছড়িয়ে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে থাকে। ততোদিনে জানতে পারি আমার বিয়ে বাসরের ছবি আর সকল বিয়ের সকল কাগজপত্র সরিয়ে ফেলেছেন!

বর্তমানে তিনি মিথ্যাকে সত্য বানাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন! যাহা প্রাক্তন স্বামী রাসেল মিয়ার সময় করতে দেখা গেছে!

মূল ঘটনা হলো এটি। না বুঝলে আবার পড়ে আসুন… চলবে

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।