সৌদি যুবরাজের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ
সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় তহবিল ও ক্ষমতা অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। নিউইয়র্কভিত্তিক বৈশ্বিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এর ৯৩ পৃষ্ঠার এক প্রতিবেদনে এ অভিযোগ আনা হয়েছে।
সেখানে বলা হয়েছে, ২০১৭ সাল থেকে চলমান দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের নামে সৌদির ভিন্ন মতাবলম্বী ব্যবসায়ী এবং ধনকুবেরদের কোম্পানি ও সম্পত্তি জব্দ করছেন সৌদি যুবরাজ। ওই বছরই নিজ পিতা বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের কাছ থেকে রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা গ্রহণ করেন তিনি।
এতে করে স্বাভাবিকভাবেই ফুলে-ফেঁপে উঠেছে পিআইএফের সম্পদের পরিমাণ। এক দশক আগে যেখানে এই তহবিলের সম্পদের পরিমাণ ছিল ৮ হাজার ৪০০ কোটি ডলার, সেখানে বর্তমানে এটির সম্পদের পরিমাণ পৌঁছেছে ৯২ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।
পদাধিকার বলে পিআইএফের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ রয়েছে সৌদি যুবরাজের হাতে।
৩৯ বছর বয়সী সৌদি যুবরাজের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও তুলেছে এইচআরডব্লিউ। বুধবারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিআইএফের আওতাধীন বিভিন্ন প্রকল্পে কর্মরত শ্রমিকদের অধিক সময় কাজ করতে বাধ্য করা, দুর্ব্যবহার ও নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।
২০১৭ সালে ক্ষমতায় আসার পর জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে অন্যান্য অর্থনৈতিক খাতকে শক্তিশালী করার ঘোষণা দেন মোহাম্মদ বিন সালমান। সেই সময় তিনি জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যটন, শিক্ষা ও অন্যান্য অর্থনৈতিক খাতকে জ্বালানি তেলের চেয়েও বেশি শক্তিশালী খাত হিসেবে গড়ে তুলতে চায় তার সরকার।
বিভিন্ন প্রকল্পে কর্মরত শ্রমিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক শ্রম আইনের ঘোরতর লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে।
প্রতিবেদনে বিদেশি ব্যবসায়ীদের পিআইএফের সঙ্গে কাজ করা বা অংশীদারিত্বে না যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছে এইচআরডব্লিউ।
আরো নিউজ পেতে আপনি ভিজিট করুন আমাদের টাইম অব বাংলাদেশ ওয়েবসাইট
জাতীয় থেকে আরও পড়ুন
