সাংবাদিককে মারার হুমকি দিলেন পরীমনি, অডিও ফাঁস!
সবার হয়তো জানা, হাতে কাজ নেই তাই অনেকদিন আলোচনার বাইরে ছিলেন নায়িকা পরীমনি। হঠাৎ হাঁস রান্নার শিরোনামে পূণরায় আলোচনা এসেছেন এই চিত্রনায়িকা। নেটিজনদের নানান কথায় রেগেমেগে বসেছেন হয়তো! বাকী আছে হয়তো টেপা মাছের ভর্তা শিরোনাম…
বলছিলাম দেশের সব থেকে সমালোচিত সাকলাইন নায়িকা পরীমনি কথা। হাফ ডজন বিয়ে আর নিজের অদ্ভুত সব কর্মকান্ডের কারণে এ নায়িকা থাকেন আলোচনার শীর্ষে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অপকর্মের কারণে পরীকে থানা পুলিশের ঝামেলায় ও পরতে হয়েছে কম হয়নি তার।
আবারও নতুন করে আলোচনায় এলেন পরীমনি। সম্প্রতি একটি জাতীয় পত্রিকার নারী সাংবাদিক মেহনাজ খানকে মারার হুনকি দিয়েছেন পরিমনী।পাশাপাশি অকথ্য ভাষায় গালিও দিয়েছেন। গতকাল রাতে অডিও রেকর্ড ফাঁস করেছেন সেই নারী সাংবাদিক।
ফাঁস হওয়া সেই অডিওতে শোনা যাচ্ছে রেগে আগুন হয়ে উঠেছেন পরী। একের পর এক গালি দেওয়ার পাশাপাশি সেই নারী সাংবাদিককে দেখে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন।
পরীর এরকম আচরণের কারণ কি উত্তরে মেহনাজ বলেন, একটি অনলাইনের নিউজের থামনেইলে পরী ও তার ছেলের ছবি শেয়ার করে আমি ক্যাপশনে লিখেছিলাম “আর কি? এমন মানুষকে বিশ্বাস করা যার মাশুল বাচ্চারও দিতে হয়!”
সাংবাদিক মেহনাজের দাবী তিনি একজন সিংগেল মাদার। তার ডিভোর্স হয়েছে ৫ বছর আগে। এ কারণে নিজের বাচ্চাকে উদ্দেশ্য করে তিনি এই পোস্ট দিয়েছেন। কিন্তু এরপর এই পোস্ট নিয়েই নাকি বাধে বিপত্তি। পরী ভাবে পরীর ছেলে রাজ্যকে নিয়ে এই পোস্ট দেওয়া হয়েছে আকারণে সাংবাদিককে ফোন দিয়ে গালি- গালাজ করেন তিনি। শুধু তাই নয়, গাড়ী নিয়ে নাকি মেহনাজের অফিসের নিচেও যান পরী। এরপর একজন বিনোদন সাংবাদিক পরীকে বুঝিয়ে সেই মুহুর্তে পরিস্থিতি সামাল দেন।
এছাড়া মেহনাজ খান এক দীর্ঘ পোস্টে ফেসবুকে লিখেছেন,গতকাল দেশের প্রথম সারির নায়িকা পরীমনি কোন কারণ ছাড়াই আমাকে অকথ্যভাবে গালাগালি করে এবং আমাকে হুমকি দেয় আমার অফিসে এসে আমাকে মারবে, আমাকে নাকি দেখে নিবে,আমার নাকি চাকরি খেয়ে দিবে।তার ভাষা এবং কথা আপনারা স্ক্রিন রেকোর্ডে শুনতেই পারছেন।
আমার একটা স্ট্যাটাসকে ঘিরে উনি এই কান্ড ঘটালেন।আমি একজন সিংগেল মাদার। আমার একটা মেয়ে আছে। আমি একটা নিউজ শেয়ার করে আমার নিজ পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে আমার মেয়েকে নিয়ে ক্যাপশনটা লিখি। শুধু মাত্র আমার ক্যাপশনে পরিমনী ও তার ছেলের ছবি থাকায় সেই চিত্রনায়িকা এরকম অপ্রত্যাশিত কাহিনি ঘটায়। মা হিসেবে দাবী করছে অথচ অন্য একজন মা কে অপমানিত করলো।আমি জানতে চাই আমার ভুলটা কোথায়? শুধু দাড়ি কমার জন্য একজন নায়িকা এমন আচরন করবে?আমি কোন নিউজ ও করিনি তার বিরুদ্ধে, শুধু মাত্র আমার পার্সোনাল প্রোফাইলের একটা ক্যাপশনকে ঘিরে তার কেন মনে হলো যে তাকে নিয়ে লিখেছি। আর আমি তো খারাপ কিছু বলিও নি তার সন্তান নিয়ে।আমি জানি সিংগেল মাদারের লাইফ কত কঠিন হয়। পরীর জন্য আমার খুব সহানুভূতি ছিলো। কিন্তু তারকারা মনে হয় দূর থেকেই সুন্দর। বিনা কারণে রাত ১২ টা পর্যন্ত আমাকে যে হেনেস্তা করলো এবং আমাকে যে মারার হুমকি দিয়েছে এর জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করতে বাধ্য হলাম এবং আমার ও আমার পরিবারের যদি কিছু হয় এর দায়ী হবে পরীমনি।
এ বিষয়ে নায়িকার কাছে বিস্তারিত জানতে বেশ কয়েকবার ফোনে করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এছাড়াও সাবেক এমপি নিক্সন চৌধুরীর সঙ্গে অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক জড়িয়ে এরকম একাধিক সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করার ঘটনার নজির আছে এ নায়িকার।
ঘটনা মূলত ভিন্ন। পরিচালক শাহ আলম মন্ডলসহ একাধিক প্রমাণ এসেছে টাইম অব বাংলাদেশের হাতে। সেই প্রতিবেদন পেতে পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন…
চলবে…
টাইমস অব বাংলাদেশ অনলাইনের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
