কথায় কথায় মিথ্যা বলছে কথিত ভাইরাল আশরাফুল আলম সাঈদ ওরফে হিরো আলম (ছদ্মনাম) এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে তা পূঁজি করে হাতিয়ে নিচ্ছেন নানা নগদ অর্থ। সম্প্রতি অর্থ আত্মসাৎ নিয়েও হাতিরঝিল থানায় সাধারণ ডায়েরিসহ একাধিক মামলার রজু আছে তার নামে। প্রথমে স্বীকার না করলেও পরে ১ ঘন্টার কাস্টরীতে রাখা হয় তাকে। পরবর্বতিতে টাকার কথা স্বীকার করে বন্ড সই দিয়ে মুক্ত হন তিনি। যদিও পরে তার কোন টাকা ফেরত দিবার হদিস মিলেনি!
ইতিমধ্যে তার নানা কু-কর্মের জন্য তার বউ তাকে ডির্ভোস দিয়েছেন। তা স্বীকার না করে দোষারোপ করছে সাংবাদিক আকাশ নিবিরকে। নিজের গরীব ছোটলোক আর মূর্খতার পরিচয় দিয়ে অন্যদের সাথে বরংবার বাটপারি করে চলেছেন এই কথিত ভাইরাল আশরাফুল আলম সাঈদ ওরফে হিরো আলম (ছদ্মনাম)।
এদিকে একাধিক লোকের থেকে টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয়াসহ একাধিক মেয়দের সাথে অবৈধ যৌন সম্পর্কে লিপ্ত থাকতে দেখা গেছে তাকে। এমনকি ভিডিও কলেও গোপন সেক্স ভিডিও সোস্যাল মিডিয়তো দেখা গেছে। নিজের যৌন বাসনা পূরণ করতেও বিয়ে করেছেন একাধিক। এছাড়াও শতাধিক মেয়েদের সাথে মেলামেশার কারণেই মূলত তাকে ডির্ভোস দেন দ্বিতীয় স্ত্রী নুসরাত জাহান ঝিমু।
বরংবার মিথ্যা বলে পার হলেও চ্যানেল আইয়ের সাংবাদিক জয় এর একটা অডিও কল ফাঁসে বিয়ে এবং ডিভোর্সের বিষয়টা ক্লিয়ার হতে দেখা যায়। যেখানে বলা হয় তার সাথে নুসরাতের কোন ডির্ভোস হয়নি। সব কিছু বানোয়াট আর মিথ্যা তথ্য ফাঁস করছেন সাংবাদিক আকাশ নিবির! অন্যের গাড়ী নিজের গাড়ী নামে মিথ্যা নিউজ করিয়েও মানুষের মধ্যে মিথ্যা বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ হচ্ছে সত্য।
আজ একটি ফোনালাপে নুসরাতের ডির্ভোসের কথা অস্বীকার করলেও পরের ফোনে নুসরাত তা স্বীকার করেন এবং কথিত ভাইরাল আশরাফুল আলম সাঈদ ওরফে হিরো আলম (ছদ্মনাম) বেশ কিছু গোপন তথ্য প্রকাশ করেন। যাতে প্রমাণ হয় তার যতো কথা মিথ্যা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।
এছাড়াও একটি সূত্রে জানা যায় জোরপূর্বক নুসরাতের ৯ লক্ষ টাকার মালামাল ঘরে আটকে রেখেছেন। এর একটি বিহিত করতে খুব শিঘ্রই মিডিয়ার সামনে আসবেন তাকে ডির্ভোস দেয়া স্ত্রী নুসরাত।
তার বিরুদ্ধে সকল অর্থ আত্মসাৎ সহ নানান রকমের মানহানীকর ঘটনায় আদালতে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানা যায়। অন্যদিকে টাকা প্রমানের কোন প্রমাণ না রেখে একাধিক মানুষের কোটি টাকা আত্মসাৎ এর গোপন তথ্য পাওয়া যায় তার নামে।
এসব পুলিশি তদন্তে সব কিছু প্রমাণিত হলে তার মিনিমাম ৫ বছরের জেল ও ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণসহ ৫ কোটি টাকা ফেরত দিতে হতে পারে বলেও কয়েকটি সূত্রে জানা যায়।
