বর্তমান সময়ের সব চাইতে সমালোচিত নায়িকা হলেন পরীমনি। বোর্ড ক্লিলাবের তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করতে গিয়ে পরীমনি বিরুদ্ধে যেন সাপ খুঁড়তে কেঁচো বের করার মতো একটা ব্যাপার। ইতিমধ্যে মাদক মামলাও হয়েছে তার নামে। এছাড়াও তার নামে একাধিক মামলাও প্রক্রিয়াধিন রয়েছে। সম্প্রতি বিশেষ বাহিনীর অভিযানে তার বাসা থেকে বিপুল পরিমান মাদকও উদ্ধার করতে দেখা যায়।
এদিকে নতুন তথ্য বের হয়ে এলো টাইমস বাংলাদেশ অনলাইনের এক বিশ্বস্তসূত্র থেকে। চিত্রনায়িকা পরীমনি বরাবরের মতোই এফডিসিতে গরু কোরবানি দেয়ে ছিল মূলত তার একধরনের সোআপ। এরপর লোক দেখানো থেকে শুরু করে নিজের বিশাল আকারে জন্মদিন আয়োজন পার্টী ছিল যেন নামী-দামী লোক আর সাংবাদিকদেরকে লক্ষ ছিল অপমানের আখড়া! প্রতিবছরেই চিত্রনায়িকা পরীমনি গুলশান, বনানীর মতো বড় বড় রেস্টুরেন্টসহ হোটেল সোনারগাঁও, হোটেল কন্টিনেন্টালগুলোতে নিজের জন্মদিন পালন করতেন তিনি। তবে তার নানু বাড়ী সেই গরীব ঘরের মেয়েটি যেন অধির টাকার নেশা আর প্রশাসনের অলৌকিক পাওয়ারে নিজেকে দিনে দিনে বিশ্বের রানী ভাবতে শুরু করেন। বনানীর ৭নং রোডের একটি রেস্টুরেন্ট এ তার জন্মদিন আয়োজন করতে দেখা যায় তাকে। আগে থেকে বেঁধে দেওয়া হয় সকলের ড্রেস কোড। আর সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেন দেশের বড় মাপের পরিচালক, চিত্রনায়ক, চিত্রনায়িকা, বিনোদন সাংবাদিক, প্রযোজকসহ বিভিন্ন মিডিয়ার ব্যাক্তিবর্গবৃন্দ। প্রথমে তার জন্মদিন শুরু করেন ঠিক সন্ধ্যা ৭টার ভিতর। এরপর তা আস্তে আস্তে গড়ায় রাত ১১ টা পর্যন্ত। ১১ টার সময় সবার থেকে বিদায় নিয়ে নিজের বাসার দিকে রওনা হন। এরপর সবার মাঝে বিরতীর পর ফিরে এসেই শুরু করেন ডিজে গানসহ নানান রকমের লাল পানির রঙ্গ-মঙ্গ বাহার।
এরপর নিজে ঠিক মতো নেশা করেই তার তালিকায় থাকা লোকটিকে অপমান করার পায়তারা। ঠিক এমনটি করে “বিশ্বসুন্দরী” খ্যাত পরিচালক চয়নিকা চৌধুরীকে। এমনকি এই পরিচালককে চড় কিল ঘুষিও মারতে দেখা যায় তাকে। এরপর সবাই থাকা লোকজন সেটি তার সাথে সমাধান করে দিলে পরে তাকে ধরেই আবার কাঁদতে দেখা যায় এই সমালোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনিকে। এরপরের বছরই অপমান করার হয় হোটেল সোঁনারগাও এ বিনোদন সাংবাদিক আকাশ নিবিরকে। সেখানে সবার সামনেই পরিচালক শাহিন সুমনকে সকল বিনোদন সাংবাদিকের সামনে বলে বেড়ান আমি কিন্তু জীবনে অনেক সাংবাদিক পিঠাইছি। আর সেখানে সবার সামনেই বিনোদন সাংবাদিক আকাশ নিবিরকে পরিচয় করে দেন এই সেই সাংবাদিক যাকে আমি পিঠাইছিলাম। সেদিন সেখানে কােন সাংবাদিককে প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি। পরবর্তীতে দেখা যায় সেই রাতের জন্মদিনের পার্টী চলতে থাকে রাত ৩ থেকে রাত ৪ টা পর্যন্ত। এরপর যে যার মতো বিদায় নিতে থাকেন সেখান থেকে।
এরআগের বছর টার্গেট থাকে পরিচালক গিয়াসউদ্দিন সেলিমের দিকে। সেখানে তেমন কোন খায়েস পুরোন না করতে পারলেও। পুরোন করে নেন এ বছরের ভাইরাল হওয়া ককপিট এর লোকেশন হোটেল কন্ট্রিনেন্টাল এ। তবে এ বছরের টার্গেট ছিল এক বিনোদন সাংবাদিককে। সেদিনের ড্রেস কোড ছিল সবুজ। পুরো হোটেল যেন সাজিয়েছিল ময়ূরের পিছনের পাখনা দিয়ে। প্রথম অধ্যায়ে নানা আয়ােজন থাকলেও বরাবরের মতো দ্বিতীয় আয়োজনের সেই লাল পানির গোপনে ভিডিও করতে থাকেন সেই বিনোদন সাংবাদিক। পরে বিষয়টি পরীমনির আদলে আসলে জোড় পূর্বক সেই রাতেই সেই সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেন এই সমালোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি! পরবর্তীতে সকল সাংবাদিকদের রিকোয়েস্ট এ সাংবাদিকের মোবাইল ফেরত দিলেও এখন পর্যন্ত মেমোরিকার্ডটি ফেরত পাননি বলে একটি বিশ্বস্তসূত্রে জানা যায়।
বিশ্বস্তসূত্রটি আরও জানায়, তার আসলে টাকা উৎস কি? ইতিমধ্যে দেশবাসী তা জেনে গেছেন। এরা মূলত চলচ্চিত্রের সাইনবোর্ড লাগিয়েই টাকা ইনকাম করতে এসেছে। যে মেয়ে টাকার জন্য পড়াশুনা করতে পারে নাই। সেই মেয়ে মূলত টাকা পেলেই এগুলোই করবে স্বাভাবিক বিষয়। তবে তার প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন হলো তাকে আগে কেন ধরা হলো না। তার হাতে যে প্রায় ২০০-৩০০ মানুষগুলি অপমান হলেন। এছাড়াও তার বাসায় কাজের মেয়েকে মদ খেয়ে হত্যার দায় আসলে কে বা কারার নিবেন। তিনি শেষ পর্যন্ত এমনটিও দাবি করেন যে, তাকে যেন এই মিডিয়া থেকে চিরতরে নাগ চুবানি দিয়ে বের করে দেয়া হয়। তবে তার এসব মাদক গোপনে আনা নেয়ার ব্যাপারে একজন সাংবাদিকের নামও তিনি ছুঁড়ে দিয়েছেন। তা জানা যাবে পরবর্তী পর্বে।
চলবে…
https://www.facebook.com/nonstopvideo/videos/1237041883398839
