মিডিয়া পাড়ায় অনেক কথিত সাংবাদিকরাও জড়িত এই চক্রের সাথে। টাইমস অব বাংলাদেশ এর অনলাইন টীমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্যে। যদিও এমন নিউজের কোন তথ্য প্রমাণ ছাড়াই নিউজ করে চলেছেন অনেক শীর্ষ অনলাইনগুলি। অনেকেই জাতীয় নিউজের ক্ষেত্রে তার এসব প্রতারণার স্বীকার হচ্ছেন এমন অভিযোগ করেছেন তার নামে। এমনকি তিনি সবার ইনবক্সে ইনবক্সে কাস্টমার কেয়ার এর ভয়েস পাঠিয়ে টাকা চাওয়ার অভিযোগ মেলে তার নামে।
ফেসবুকে ব্লু আইকন যেন এক সোনার হরিণ। তারকাদের পাশাপাশি অনেকেই পেয়ে গেছেন এই আইকনটি। সোস্যাল মিডিয়ায় এই আইকনের গুরুত্ব অনেক বেশি এখন। কেননা এই আইকনধারীদের মূলত সবাই সেলিব্রেটি ভাবতে থাকেন। এর কারণ হলো দেশের গন্যমান্য বেক্তি আর দেশের সেলিব্রেটিদের জন্য এই আইকন ফেসবুক দিয়ে থাকেন। কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে হয়েছে বরাবরের মতো ভিন্ন! সবার নজড় যেন এই ব্লু আইকনের দিকে। ঠিক এই বিষয়টি নিয়ে ফ্রিল্যান্সার রাজা মিয়া ভূয়া আবাল তাবল বলে আর দেশের শীর্ষয় পত্র-পত্রিকায় টাকা দিয়ে নিউজ করিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষাধিক টাকা এমন অভিযোগ পাওয়া যায় তার নামে!
ইতিমধ্যে বিনোদন সাংবাদিক আকাশ নিবির তার এসব বিষয় নিয়ে তার সাথে কথা বলতে গেলেও তিনি একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে দাবি করছেন। যদিও তার নিজের বাটনে সেই আইকন যুক্ত নেই। এদিকে তার নামে আরও অভিযোগ পাওয়া যায় দেশের কথিত বিনোদন সাংবাদিকদের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা দিয়ে দেশির বিভিন্ন শীর্ষ জাতিয় অনলাইনগুলিতে নিউজ করার হদিস মিলছে তার নামে।
ইতিমধ্যে প্রশাসনের নজড়ে আছেন তিনি। এ নিয়ে গোপনসূত্রে হাতিরঝিল থানার এক পুলিশ কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজা মিয়া নামে উনি মূলত মেকআপ আর্টিষ্ট। সেখানে থেকে বিদেশ যাবার সুযোগ পান তিনি। এরপর বিদেশি কিছু বন্ধুর মাধ্যমে এই বিষয়ে কাজ শিখে এরকম প্রতারণার সাথে যুক্ত থাকতে পারেন। তবে তার এমন প্রতারণার সাথে সকল বিরত থাকতে অনুরোধ জানিয়েছেন।
ফেসবুকে তাইয়্যাবা তাসনিন জাহান জানায়, ‘আমি ফেসবুকের ব্লু আইকনের জন্য তার কাছে জানতে চাইলে তিনি আমার কাছে ৩৫ হাজার টাকার দাবি করে। কারণ জানতে চাইলে উনি আমাকে নানা রকমে ফন্দি ফিকির জানিয়ে দেন। পরে আমি বিষয়টি আমার বন্ধু মহলে জানালে বিষয়টি প্রতারণামূলক বলে জানতে পারি। পরে বিষয়টিতে চুপ থাকলে উনি ইদানিং আমাকে ফোন দিয়ে দিয়েই বেশ বিরক্ত করছেন। আমার মনে হলো আসেল সে একটা ভূয়া।’
এদিকে রেদওয়ান তানভির শুভ নামে একজন লিখেছেন, ‘ব্লু বেইজের বিনিময়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়া! এটাও একটা সিন্ডিকেট। এ চক্র থেকে সবাইকে তিনিও সাবধান থাকতে বলেছেন।’
আব্দুল্লাহ আল ইমরান লিখেছেন, ‘এরে নিয়ে পোস্ট দিয়েছিলাম আরো বেশ কিছুদিন আগেই পরে আবার অনলি মি ও করে দিয়েছি। শুধু শুধু প্রমোট করার ইচ্ছা নেই তাই। আমাকে রিকুয়েষ্ট দিয়ে, লিস্টের সবার কমেন্টে গিয়ে কমেন্ট করতো যে ব্লু লাগলে ইনবক্স
তখন সবাই আমাকে মেনশন দিয়ে বলতো ভাই দেখেন কি করতেছে এসব পাগলদের ইগ্নোর করেন।’
অনেক আইটির সাথে কথা বলে জানা যায়, ফেসবুকে ব্লু আইকন করতে মূলত কোন টাকা পয়সার দরকার হয় না। এমন সাধু চক্রের থেকে সবাই সাবধান থাকবেন অবশ্যই… আপনাদের আইকন হলে ফ্রীতেই ব্লু আইকন করতে পারবেন। তা দেশের জন্য সহজ করে দিয়েছেন ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
https://youtu.be/QnzHu-D6MT4
