ভারত টেষ্টে বাংলাদেশের বিশাল পরাজয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে বাংলাদেশের সমালোচিত ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের নামে। গত তিন দিন ধরেই তাকে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ২৮০ রানে হেরে যাওয়া টেস্টে ব্যাটিং-বোলিং কোনো ক্ষেত্রেই অবদান রাখতে পারেননি সাকিব। সাকিব বিশাল অর্থের মালিক হওয়ায় তাকে নিয়ে কেউ কথা বলতে চাননি। আর তাকে নিয়ে কথা বলতে গেলে হারাতে হয় অনেক প্রতিষ্ঠানের চাকরী! বিশাল ক্ষমতা কাজে লাগাতে যােগদেন আওয়ামী লীগে। হন এমপি।
দেশের সাবেক সরকার পালিয়ে যাবার পর থেকে যেন ব্যর্থতা ঘিরে বসেছে সাকিবের উপর। তার হঠাৎ করে ফর্ম হারিয়ে ফেলা, আঙুলে অপারেশনের খবর নিয়ে চলছে ব্যাপক জল্পনা। এবার সেই জল্পনায় অংশ নিলেন সঞ্জয় মাঞ্জরেকার। অবশেষে সাকিবের ব্যর্থতার কারণ খুঁজে পেলেন তিনি।
ভারতের সাবেক ক্রিকেটার তথা জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার মাঞ্জরেকার বলেছেন, ‘সাকিবের জন্য একটা বড় সমস্যা হচ্ছে, ভারতীয় দলে অনেক বেশি বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। শীর্ষ ছয়ে তিনজনই বাঁহাতি। যশস্বী জয়সোয়াল, রিশাভ পান্ত এবং রবীন্দ্র জাদেজা তিনজনই বাঁহাতি এবং তারা ভালো ব্যাটসম্যানও। ফলে সে কিছুটা চাপে ছিল। আরেকটা সমস্যা হচ্ছে উইকেট টার্নিং ছিল না। সাকিব এমন বোলার যে টার্নিং উইকেট পেলে ঠিকঠাক বোলিং করে ব্যাটসম্যানদের সমস্যায় ফেলতে পারে।’
এবার ভারতের চেন্নাই টেস্টে দুই ইনিংস মিলিয়ে সাকিব ২১ ওভার বোলিং করে ৬.১৯ ইকোনমতিতে ১২৯ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন। তার বোলিংয়ে ছিল না কোনো ধার। ক্যারিয়ারে এত খরুচে সাকিবকে আর কখনো দেখা যায়নি। সাকিবের ইকনোমি রেট এর আগে কখনই ৫ স্পর্শ করেনি। এই পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে চেন্নাইয়ে বোলার সাকিবের সময়টা কতটা খারাপ কেটেছে।
মাঞ্জরেকার আরও বলেছেন, ‘এই ধরনের উইকেট দেখে এবং প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের দেখে হয়তো তার মনে হয়েছে যে তার ব্যাটিং অলরাউন্ডার হিসেবে খেলাটাই বেশি ভালো হবে। কারণ, প্রথম ইনিংসে যে ধরনের ব্যাটিং সে করেছে, মনে হচ্ছিল বেশ উজ্জীবিত হয়ে আছে। বোলিংয়ে তাকে আমার তেমন উজ্জীবিত মনে হয়নি। পাশাপাশি এটাও বলতে হবে যে (নাজমুল) শান্ত তাকে কম বোলিং করিয়েছে। যখন ঋষভ পন্ত ব্যাট করছিল, শুধু মেহেদী হাসানই এক প্রান্তে বোলিং করে গেল। ম্যাচআপের কারণেই এমনটা হয়েছে।’
