টাইমস অব বাংলাদেশ প্রতিবেদক: বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। আর ঢাকায় বেশিরভাগ ট্রাফিক লাইট নষ্ট থাকায় যানজট চিত্রে বেহাল দশা সেটা সবারই জানা। গেল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগও সটকে পড়েছিলেন এ দায়িত্ব থেকে। পরে ছাত্ররা নিজ উদ্যোগে জানযট নিরসনে কাজ করলেও দীর্ঘ বিরতীর পর তা দায়িত্ব বুঝে নেন ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ। একটি সূত্রের খবরে জানা গেছে, একাধিক শর্ত থাকলেও প্রথম শর্তের হিসেবে জানা গেছে তারা কোন গাড়ী রেকার দিবেন না, তেমন শর্তে মাঠে কাজ বুঝে নেন ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ।
আগে ভিভিআইপি চলাচলে যেমনটা যানজট চোখে পড়েছে। এখনও তার কোন কমতি নেই। সে হিসেবে অনেকে রাস্তার ট্রাফিক লাইট আর শহরের এলোমেলো বাস, পাঠাও, রিক্সা চলাচলকে দায়ি করতে দেখা গেছে। তবে এবার রাজধানীর সড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও শৃঙ্খলা ফেরাতে অবৈধ ও আইন অমান্যকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সক্রিয় হয়েছে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ। আজ বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি এই তথ্য জানায়। যদিও তাদের ট্রাফিক লাইট নিয়ে কোন মাথা ব্যাথা চোখে পড়েনি!
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানীর সড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও শৃঙ্খলা ফেরাতে অবৈধ ও আইন অমান্যকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে নিরলসভাবে কাজ করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। এরই ধারাবাহিকতায় ১৭ সেপ্টেম্বর ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ২৯২টি মামলা ও ১১ লক্ষ ৫৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ট্রাফিক বিভাগ। এ ছাড়া অভিযানকালে ৩৯টি গাড়ি ডাম্পিং ও ১৫টি গাড়ি রেকারিং করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মেগাসিটি ঢাকার প্রায় দুই কোটি মানুষের জন্য ট্রাফিক পুলিশ সদস্য রয়েছে প্রায় ৪ হাজার। রাজধানীর ৩৩৯টি পয়েন্টে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ট্রাফিক বিভাগের প্রতিটি সদস্য দিন-রাত কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
