অর্থনৈতিক বিকাশে বাংলাদেশের বিস্ময়কর উত্থান

0
14

অর্থনৈতিক বিকাশে অলৌকিকভাবে বাংলাদেশের উত্থান ঘটেছে। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে বিস্ময়কর (সরকারি সূত্র) ৮ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে বাংলাদেশ। আসন্ন ২০২০-২১ অর্থবছরেও নূন্যতম ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির আভাস দেয়া হয়েছে, দাতা সংস্থাগুলোও এর সঙ্গে সহমত পোষণ করে।

২০২০ সালে এশিয়ায় কোন দেশটি সবচেয়ে দ্রুতগতিতে বিকাশের দিকে এগিয়ে যাবে? এমন অনুমান করতে বলা হলে অনেকেই খানিকটা চিন্তায় পড়বেন। তবে আপনি যদি সঠিক খবরা-খবর রাখেন তাহলে ভাবনার কিছু নেই। সঠিক উত্তর আপনার হাতের কাছেই। দেশটির নাম বাংলাদেশই। ভারতীয় গণমাধ্যম ফরচুন ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এভাবেই উঠে আসে বাংলাদেশের অগ্রগতির খবর।

এশিয়ায় বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ২০১৯-২০ অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি হবে। অর্থাৎ বিকাশের গতি থাকবে অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি। পার্শ্ববর্তী ভারতে যখন বিকাশের গতি নিম্নমুখী ঠিক তখনই চমক সৃষ্টি করছে বাংলাদেশের উত্থান। এমন অর্জনের পেছনে বেশকিছু কারণও কাজ করে। কর্মজীবী নারীদের সংখ্যা ক্রমশ বেড়ে চলা সংখ্যা বাংলাদেশের এক বড় শক্তি। লিঙ্গ সমতা স্থাপনের এই অন্যতম শর্তে, দক্ষিণ এশিয়ার অন্য সকল দেশকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। দেশটির বিকাশের পেছনে কাজ করা অন্যান্য শক্তিগুলোর দিকেও নজর দেয়া দরকার।

প্রাথমিক শিক্ষা : সাম্প্রতিক দশকে বাজেট বরাদ্দে প্রাধান্যের দিক থেকে শিক্ষাখাত দ্বিতীয় সাড়ির মর্যাদা পেলেও, এখনও এইখাতে ধারাবাহিকভাবে প্রচুর বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। এই বরাদ্দের একটি বড় অংশ ব্যয় হচ্ছে, নারী শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার পেছনে। উন্নয়ন অর্থনীতির জন্য নারীদের শিক্ষিত করা আবশ্যক। এ পর্যন্ত বিশ্বব্যাংক নারী শিক্ষার সম্প্রসারণে বাংলাদেশকে ২৯শ কোটি ডলার বিনা সুদে ঋণ দেয় বিশ্বব্যাংক। ওয়াশিংটনভিত্তিক উন্নয়ন সহযোগী দাতা সংস্থাটির মতে, উন্নত দেশ হওয়ার আগেই প্রাথমিক শিক্ষা সুবিধার দিক থেকে বিরল সফলতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। ভারতের মতো বহু দেশ এখানে সীমাহীন ব্যর্থতার পরিচয় দেয়। প্রাথমিক শিক্ষায় লিঙ্গ সমতার অর্থ হলো, বাংলাদেশে সমপরিমাণ নারী ও পুরুষ শিশু প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে।

নারী কর্মসংস্থান: নারী শিক্ষার এই সম্প্রসারণের পরবর্তী সুফল পাওয়া যাচ্ছে উৎপাদনশীল খাতে। বাংলাদেশের উৎপাদনমূলক খাতগুলোতে এখন বিপুল পরিমাণ নারী কর্মী যুক্ত হচ্ছেন। এদিক থেকে এগিয়ে টেক্সটাইল শিল্প, এইখাতের প্রায় ৮০ শতাংশ কর্মীই নারী। ২০১৪ সালে দেশটির জাতীয় অর্থনৈতিক গবেষণা ব্যুরোর হয়ে এক গবেষণা করেন র‌্যাচেল হ্যাথ এবং মুশফিক মোবারক। নারীদের প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ পাওয়া এবং পরিবর্তীতে কারখানায় উৎপাদনমূলক কাজে যুক্ত হওয়ার মাঝে এক সুস্পষ্ট সম্পর্ক আবিস্কার হয় এই গবেষণায়। টেক্সটাইল শিল্পে আসা নারীদের অধিকাংশই প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ পেয়েছিলেন। নারী কর্মীদের শিক্ষিত হয়ে ওঠার ফলে এর বিকাশের চক্র আরও গতিশীল হয়েছে। আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী নারীরা তাদের কন্যাশিশুদেরকেও শিক্ষিত করতে উদ্যোগ নেন। বাংলাদশে র্জানাল