ইউরেকা! ভুঁড়ি কমাতে, হলুদ দিয়ে চা খান

0
26

সব রকম চেষ্টাই করি। মর্নিং ওয়াক, জিম, ব্যায়াম, মেপে খাওয়াদাওয়া। সবটুকুই করা শুধুমাত্র নিজের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে। জামার ফাঁকে উঁকি মারুক ভুঁড়ি তা তো আর কেউ মন থেকে চায় না। জীবনযাত্রা, সুষম খাবার না খাওয়া অবং বেশিক্ষণ খালিপেটে থাকা মোটা হওয়ার অন্যতম কারণ। গ্রিন টি তো খান।

এবার হলুদ চা খেয়ে দেখুন। এই চা ওজন কমাবে। মেদহীন পেট উপহার দেবে। এছাড়াও ক্যানসার প্রতিরোধ করে হলুদ।

হলুদের ওষধি গুণ প্রচুর। নানা রকম সংক্রমণের হাত থেকে হলুদ রক্ষা করে। হলুদে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, পটাসিয়াম ভোলাটাইল অয়েল থাকায় রান্নায় হলুদের এত প্রয়োজনীয়তা। এছাড়াও কাঁচা হলুদ আখের গুড়ের সঙ্গে খেলে রক্ত পরিশুদ্ধ হয়। বলা ভাল অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের কাজ করে।
হলুদ চায়ে ওজন কমে। এই চায়ে চা পাতা দিতেই হবে এরকম কোনও ব্যাপার নেই। তবে চাইলে লিকার চায়ের সঙ্গে খেতেই পারেন। যে ভাবেই খান.. এই চায়ে কাজ হবেই।

কীভাবে কমবে ওজন?

ফ্যাট বার্নার হিসাবে কাজ করে
যে কোনও রকম জ্বালা বা প্রদাহে কাঁচা হলুদ ব্যবহার করা হয়। হলুদের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট স্ট্রেস কমায়, অতিরিক্ত ফ্যাট কমায়। সেই কারণে নুন, হলুদ ছাড়া রান্না নয়। হলুদ দিয়েই রান্না করুন।

মেটাবলিক সিনড্রোমের হাত থেকে রক্ষা করে
মেটাবলিক সিনড্রোমের সঙ্গে ওবেসিটির গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। ট্রাইগ্লিসারাইড, কোলেস্টেরল, ব্লাড সুগার লেভেল কন্ট্রোলে রাখে হলুদ। আর এসব কন্ট্রোলে থাকলে শরীর সুস্থ থাকবে। অতিরিক্ত ফ্যাট জমবে না।

হজম ভালো হয়
রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে জন্ডিস হয়। হলুদ চা প্রতিদিন খেতে পারলে বিলিরুবিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়াও হজম ভালো হয়। পাকস্থলীর কাজ ভালো হয়। এবং যা ওজন কম করতে সাহায্য করে।

ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা কমায়
অনেকেই আছেন যাঁদের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন ইনসুলিন নিতে হয়। তাঁরা যদি প্রতিদিন এই হলুদ চা খেতে পারেন তাহলে অনেকখানি উপকার পাবেন। এবং অতিরিক্ত ফ্যাট জমবে না।

দেখে নিন হলুদ চায়ের রেসিপি

যা যা লাগবে
হলুদ গুঁড়ো
আদা পেস্ট বা কুচি
জল

কীভাবে বানাবেন এই চা

একটি পাত্রে জল নিয়ে গরম করুন। গরম হয়ে এলে তাতে আদা ও হলুদের পেস্ট দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এবার পানীয়টি ঠান্ডা করে নিন। তবে খুব ঠান্ডাও করবেন না। মোটামুটি খাওয়ার মতো ঠান্ডা হয়ে এলে খেয়ে নিন। বানানোর পর বেশিক্ষণ না ফেলে রাখাই ভালো।
এছাড়াও এর সঙ্গে প্রতিদিনকার ব্যায়াম এবং সুষম আহার বজায় রাখতে হবে।

সুত্রঃ- এই সময়